বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক রাজধানী কুষ্টিয়ায় ভ্রমণ করুন, যেখানে ইতিহাস, কবিতা এবং ঐতিহ্য মিলেমিশে একাকার।
দর্শনীয় স্থানগুলো দেখুনকুষ্টিয়ার দর্শনীয় স্থানসমূহ যা আপনার অবশ্যই দেখা উচিত
কিংবদন্তি বাউল সাধক ফকির লালন শাহের চিরনিদ্রার স্থান। এটি একটি আধ্যাত্মিক কেন্দ্র যা প্রতি বছর হাজার হাজার ভক্ত এবং সঙ্গীত প্রেমীদের আকর্ষণ করে।
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত একটি চমৎকার বাড়ি, যেখানে তিনি তার জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কিছু কবিতা ও গান রচনা করেছিলেন।
পদ্মা নদীর ওপর অবস্থিত একটি বিশাল স্টিলের রেলওয়ে সেতু। এটি ব্রিটিশ প্রকৌশলের এক বিস্ময় এবং সূর্যাস্তের এক অপূর্ব দৃশ্য উপহার দেয়।
বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক এবং 'বিষাদ সিন্ধু' এর রচয়িতা মীর মশাররফ হোসেনের স্মৃতিবিজড়িত বাস্তুভিটা, যা সাহিত্য প্রেমীদের কাছে একটি তীর্থস্থান।
কুষ্টিয়ার প্রাণ গড়াই নদী, যেখানে নৌকায় ঘুরে বেড়ানো এবং নদীর অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করা পর্যটকদের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ।
কুষ্টিয়ার কিছু মনোমুগ্ধকর মুহূর্ত
যারা কুষ্টিয়া ভ্রমণ করেছেন তাদের অভিজ্ঞতা
"লালন শাহের আখড়ায় গিয়ে এক অদ্ভুত আধ্যাত্মিক শান্তি পেয়েছি। বাউল গানের সুর এখনও কানে ভাসছে। কুষ্টিয়া সত্যি এক অপূর্ব জায়গা।"
"শিলাইদহ কুঠিবাড়ি দেখে মুগ্ধ হয়েছি। বিশ্বকবির স্মৃতিবিজড়িত এই জায়গাটি খুব সুন্দর করে সাজানো। হার্ডিঞ্জ ব্রিজের সূর্যাস্ত ভোলার মতো নয়।"
"কুষ্টিয়ার মিষ্টির স্বাদ আর গড়াই নদীর শান্ত পরিবেশ আমার হৃদয় ছুঁয়ে গেছে। যারা নিরিবিলি সময় কাটাতে চান তাদের জন্য সেরা স্থান।"
কুষ্টিয়া দেশের সব প্রান্ত থেকেই যাতায়াতের জন্য অত্যন্ত সুবিধাজনক একটি শহর।
ঢাকার গাবতলী বা কল্যাণপুর থেকে সরাসরি কুষ্টিয়ার বাস পাবেন। এসবি সুপার ডিলাক্স, হানিফ বা লালন পরিবহনে করে খুব সহজেই পৌঁছানো যায়।
ঢাকা থেকে সুন্দরবন, বেনাপোল বা চিত্রা এক্সপ্রেসে করে পোড়াদহ বা ঈশ্বরদী জংশনে নেমে সেখান থেকে বাস বা সিএনজি করে কুষ্টিয়া আসতে পারেন।
সবচেয়ে কাছের বিমানবন্দর হলো যশোর। ঢাকা থেকে যশোর এসে সেখান থেকে বাস বা গাড়িতে কুষ্টিয়া আসা যায়।
কুষ্টিয়ার আতিথেয়তা, সংস্কৃতি এবং সৌন্দর্য উপভোগ করুন।
যোগাযোগ করুন